দৈ’নন্দিন জীবন চলার পথে কেউ হয়ে উঠে আ’শপাশের মানুষের মধ্যমণি আবার কে’উবা হয়ে প’ড়েন অপ্রিয়। আর দুটোর পে’ছনের মূল কারণ হলো আ’চরণ-ব্য’বহার। এই দুইয়ের ব্যবহার যে যেমন করে ক’রতে পারে তার উপ’রই নি’র্ভর করে কে কতটা পাবে অন্যের কাছ থেকে। প্র’তিদিনই জীবনে চলতে মু’খোমুখি হতে হয় নে’তিবাচক কিছু দিকের। কিন্তু এগুলো ব’র্জন করাটা অত্য’ন্ত জ’রুরী। তাহলেই সবার প্রিয় হয়ে ওঠা স’ম্ভব। আর এ বিষয়ে বি’শেষজ্ঞদের র’য়েছে কিছু প’রামর্শ।

ই’চ্ছাশ’ক্তি বাড়ান: সবার ভালোবাসার মানুষ হয়ে উঠতে গেলে থা’কতে হবে ই’চ্ছাশ’ক্তি। এই ই’চ্ছাশ’ক্তি আপনার জী’বনযাত্রার মানে উৎ’কর্ষ বৃ’দ্ধি ক’রতে স’হায়তা করবে। ই’তিবাচকতা একটা আবরণের মতো। যখন আপনি মানুষের মনে বি’শ্বা’স স্থা’পন ক’রতে পারবেন, মানুষ আপনাকে বিশ্বা’স ক’রতে শুরু করবে।

বা’স্তববাদী হোন: একেবারে সাধু ব্য’ক্তি হওয়ার চেষ্টা না করাই ভালো। আপনি ই’তিবাচক ব্য’ক্তি হয়ে উঠ’বেন, তার মানে এই নয় যে আপনার কোনো নে’তিবাচক আবেগ থাকতে পারে না কিংবা কখনোই নে’তিবাচক প’রিস্থি’তির শি’কার আপনি হবেন না। কোনো কাজে ব্য’র্থ হলে হ’তাশাগ্র’স্ত হবেন না কিং’বা বি’পথের দিকে ধা’বিত হবেন না।

প’র্যবেক্ষণ ও অ’ভিজ্ঞতা: একজন ম’নোযোগী প’র্যবেক্ষক হোন। আপনার চারপাশে খেয়াল রাখু’ন। কিভাবে আপনি আরো বেশি ই’তিবাচক উপাদান আয়ত্ত ক’রতে পারবেন তার জন্য দৈ’নন্দিন জীবনের ক’র্মকা’ণ্ডে ম’নোযোগী হোন। এটা আপনার দৃ’ষ্টিভঙ্গিকে আরো বেশি ই’তিবাচক করে তুলবে।

মা’র্জিত বক্তব্য: ভাষায় মা’র্জিত ও ই’তিবাচক শব্দ ব্যবহার ক’রতে হবে। সহক’র্মী দের স’ঙ্গে মিশতে হবে কা’ছাকাছি থেকে এবং ব’ন্ধুত্বপূর্ণভা’বে। শা’রীরিক উপস্থাপনা সব সময় প’রিশীলিত থাকবে। আপনার আশপাশে আ’নন্দময় কিছু ঘটলে চে’হারায় আ’নন্দ ও সুখী সুখী ভাব নিয়ে আসুন। হাসির কিছু ঘ’টলে মুখে হাসি নিয়ে আসুন।

ব’ন্ধুত্বে সত’র্কতা: একটিমা’ত্র পথেই যদি আপনি সবার আ’স্থাভাজন হয়ে উঠতে চান সে ক্ষেত্রে ইতিবাচক ও নে’তিবাচক উভ’য় ঘ’টনাই ঘট’তে পারে। আপনি যদি ব’ন্ধুমহলে বেশির ভাগ সময়ই রূঢ় আ’চরণ করেন তাহলে মনে রা’খবেন, আপনাকে একই ধ’রনের আ’চরণের মু’খোমুখি হতে হবে। আপনার হৃদয়ে ইতি’বা’চকতা যদি গ’ভীরভাবে থাকে তাহ’লে আপনার ব’ন্ধুমহল হবে ই’তিবাচক, ক’র্মোদ্যো’গী, হা’সিখুশি ও প্রাঞ্জল।

আ’লসেমি বাদ দিন: অলস বা আয়েশি হয়ে বসে থাকবেন না। অন্যদের স’ঙ্গে থাকুন আর একা থাকুন, ইতি’বাচক কা’জে’র মধ্যে থাকবেন। জোক বলুন, মজার ঘ’টনা শে’য়ার করুন, খেলাধুলায় অংশ নিন। কাজ শেষে হাঁ’টতে বের হোন। একটা স্বা’স্থ্যকর জী’বনযাপন করুন।

সব কিছু সহ’জভাবে গ্রহণ: প্রা’ত্যহিক জীবন থেকে আপনি আঘা’ত পেতে পারেন। এটা মেনে নিতে আপনাকে তৈরি থাকতে হবে। উ’দাহরণস্বরূপ, আপনাকে প্র’তিদিন ভি’ড়ের মধ্যে গাড়ি চালাতে অথবা পার্ক ক’রতে হতে পারে। যখন আপনি এ ব্যা’পা’রগু’লোতে অভ্য’স্ত হয়ে যাবেন তখন আর কোনো স’ম’স্যাই হবে না।

৮. যোগ ব্যায়াম চর্চা : যোগ ব্যায়ামের শিক্ষক ও পু’ষ্টিবিদ অ’ভিলাষ কেইল বলেন, ‘প্রতিদিন প্রার্থ’না করুন, এটা আপনার ভে’তরকে প্র’কাশ ক’রতে সহা’য়তা করবে, আ’ত্মনিয়’ন্ত্রণ ক’রতে শেখাবে।’ এটা যে শুধু নীরবেই সুখ বি’চ্ছুরিত করবে তা নয়, খুব অল্প সময়েই আপনার ই’ন্দ্রিয়কে সচে’তন করে তুলবে।

ডায়েরি লিখু’ন: একটা সময় নি’র্ধারণ করে দিনের সব কাজকে মনে করুন, এখান থেকে ভালো কাজগুলো আ’লাদা করে ডায়ে’রিতে লিপি’বদ্ধ করুন। এগুলো খুব সামান্য ব্যাপারও হতে পারে। যেমন ক’র্মক্ষেত্রে যাওয়ার উদ্দেশ্যে আপনার বাসে আ’রোহণ করা, আপনার মায়ের হাতের তৈরি সু’স্বাদু নাশতা, সম’য়মতো বিল প’রিশোধ করা ই’ত্যাদি। এতে চো’খের সামনে নিজে’র করা ছোট একটি ইতিবাচক কাজ দে’খতে পারবেন। যখন আপনি আপনার লেখা ডা’য়েরিটি পড়বেন তখন নিজেই নি’জেকে দৃ’ঢ়ভাবে সুখী ঘো’ষণা করবেন।

ধন্যবাদ দিন: আশ’পাশের সবাইকে ধন্য’বাদ দিন। বাবা-মাকে ধন্যবাদ দিন। ব’ন্ধুদের ধ’ন্যবাদ দিন। আপনি যে প’রিশ্রম করছেন সে জন্য নিজেকেও ধন্যবাদ দিন। বারবার ‘থ্যাং’ক ইউ’ বললে আপনি হয়ে উঠ’বেন বিনয়ী। বি’নয়ী হলে আর নিরাশ হবেন না।