ক্যা’ন্সার একটি ম’রণব্যধি। তাই ক্যা’ন্সার নামটা শু’নলেই আঁ’তকে উঠতে হয়। তবে স'চেতন হলে হয়তো মৃ'ত্যুর হার অনেকখানি কমিয়ে আনা স’ম্ভব। আজকে গলার ক্যা’ন্সারের বিষয়টি তুলে ধ'রার চেষ্টা ক’রব। গলায় ক্যা’ন্সারের লক্ষণ, কারণ এবং প্র’তিকার নিয়েই মূলত আজকের লেখাটি সাজানো হয়েছে।

গলার ক্যা’ন্সারের কারণ হলো শ্বা’সনালি, অন্ননালি ও স্ব’রযন্ত্রের টি’উমা'র। তবে শ'রীরের অন্য কোনো অংশ থেকেও এ অ’ঞ্চলে ক্যা’ন্সার ছ’ড়াতে পারে। অনেক সময় নিয়ে ধীরে ধীরে রো'গটি দেখা দেয়। সাধারণত এটি বয়সকালেই দেখা যায়। তবে কম বয়সে একদম হতেই পারে না, তা বলা ঠিক নয়।

লক্ষণ: অনেক দিন ধ'রে গলাব্য'থা হওয়া, শ্বা’স-প্রশ্বা’স নিতে ও খাবার গিলতে অ’সুবিধা হওয়া, স্বর ভে’ঙে যাওয়া, শ্বা’স-প্রশ্বা’সের সময় গলায় ঘ’ড়ঘড় আওয়াজ ইত্যাদি এ রো'গের লক্ষণ। এ ছাড়া কাশি বা বমির স'ঙ্গে র’ক্ত ওঠা, গলায় চাকা দেখা যায়, দ্রু’ত ওজন কমে যেতে পারে। গলাব্য'থা বা ক’র্কশ স্বর এক সপ্তাহের বেশি থাকলে, কফ বা লালার স'ঙ্গে র’ক্ত এলে, গলায় চাকা দেখা দিলে বা ওজন কমে গেলে চি’কিৎসকের শ’রণাপন্ন হতে হবে। এ স'মস্যায় অবশ্যই বা’য়োপসি করাতে হবে।

যদি দ্রু’ত সম’স্যার চি’কিৎসা না ক’রানো হয় তবে স’ম্পূর্ণ শ’রীরে ক্যা’ন্সার ছ'ড়িয়ে যেতে পারে। এতে করে মৃ'ত্যুঝুঁ'কি বাড়ে।

এই রো'গ প্র’তিরো'ধে তামাক ও মদ পরিহার করে চলুন। এর চিকি’ৎসা হলো অ’পারেশন বা অ’স্ত্রপ'চার, রে’ডিয়েশন বা কেমো থে’রাপি। তাই শুরুতেই চিকি’ৎসকের শ’রণাপন্ন হোন।